- googleplus
- youtube
- flickr
- envato
- behance
- vimeo
Okizad Daulatpur Dairy this media for the public zone , Buy&sell, Fan, Daulatpur News, Public conference and more...
.
Latest News:
Page Translate
Showing posts with label Other. Show all posts
Showing posts with label Other. Show all posts
7 smartphone security mistakes-স্মার্টফোনের নিরাপত্তায় ৭টি ভুল
১. স্মার্টফোনের পর্দায় নাক গুঁজে রাস্তায় হাঁটা, কিংবা
পেছনের পকেটে রেখে বেমালুম
ভুলে গেলে সহজেই তা চুরি হয়ে যেতে পারে। দুর্ঘটনার
আশঙ্কাও থাকে।
২. স্মার্টফোনের স্ক্রিন লক না থাকলে এটি কারও হাতে চলে
গেলে সহজেই ফোনে থাকা
তথ্য অন্য কেউ দেখতে পাবে। ‘টাচ
আইডি’ থাকলে
ভালো, না হলে
অন্তত পাসওয়ার্ড
ঠিক করে দিন।
৩. ফোন হারিয়ে গেলে হা-হুতাশ না করে বরং তা ‘ট্র্যাক’ করার
চেষ্টা করুন। বাংলাদেশে এ ক্ষেত্রে
প্রথমেই থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে হবে।
৪. অ্যাপ স্টোরগুলোতে বিনা মূল্যের নিরাপত্তা সফটওয়্যার
যেমন আছে, টাকা
দিয়ে কেনার
সুযোগও আছে। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও
স্মার্টফোনটি এভাবে অনিরাপদ রাখা কি ঠিক হচ্ছে?
৫. বিনা মূল্যে ওয়াই-ফাই পেয়েছেন, এতে
খুশি হয়ে তা ব্যবহার করতে যাওয়া ঠিক হবে না। বিমানবন্দর
কিংবা ক্যাফের ওয়াই-ফাই নিরাপদ হলেও অন্যান্য ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক
আপনার ফোনের নিরাপত্তা নষ্ট করতে পারে।
৬. অপরিচিত কারও কাছ থেকে কোনো ই-মেইল, তাৎক্ষণিক
বার্তা বা এসএমএসে লিংক পেলে তা যাচাই না করে ক্লিক করে খুলতে যাবেন না।
সূত্র: সিনেট
Labels:
Other
Of mobile phones! মোবাইল ফোনের যন্ত্রণা!
মোবাইল ফোনের যন্ত্রণা!
Of mobile phones!
এখনকার যুগে মোবাইল ফোন যেন এক যন্ত্রণার নাম। গবেষকেরা বলছেন, মোবাইল ফোনে আসক্তি চলে এলে তা ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। বিষণ্নতা বা মানসিক দুশ্চিন্তার সঙ্গে
মোবাইল ফোন আসক্তির যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন মার্কিন গবেষকেরা।
কম্পিউটারস ইন হিউম্যান বিহেভিয়র’ সাময়িকীতে এই
গবেষণা-বিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আলেজান্দ্রো লিয়ারাস বলেন, অনেক দিন ধরে আমাদের সমাজে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মানুষের মনে ভয় রয়ে গেছে। টিভি, ভিডিও গেম নিয়ে মানুষের মনের মধ্যে যে ভয়, তা এখন স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে।
ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আলেজান্দ্রো লিয়ারাস বলেন, অনেক দিন ধরে আমাদের সমাজে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মানুষের মনে ভয় রয়ে গেছে। টিভি, ভিডিও গেম নিয়ে মানুষের মনের মধ্যে যে ভয়, তা এখন স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে।
গবেষক লিয়ারাস ও প্যানোভা ৩০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি সমীক্ষা
চালান। এতে মানসিক
স্বাস্থ্যের সঙ্গে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সম্পর্ক আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়।
গবেষক লিয়ারাস দাবি করেন, তিনি গবেষণায় দেখেছেন, যাঁরা নিজেদের স্মার্টফোন আসক্ত বলে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা অধিক মাত্রায় বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তায় ভোগেন বলে দেখা গেছে।
গবেষক বলেন, যাঁরা বিরক্তি বা একঘেঁয়েমি কাটাতে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে স্মার্টফোন ব্যবহারের কোনো নেতিবাচক সম্পর্ক খুঁজে পাননি গবেষকেরা। অনলাইনে যাওয়ার বা স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাই মনোভাব অধিক গুরত্বপূর্ণ। বিলাসবহুল পণ্য হিসেবে মোবাইল ফোনের সুক্ষ্ম ভূমিকা থাকায় এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন গবেষকেরা।
গবেষক লিয়ারাস দাবি করেন, তিনি গবেষণায় দেখেছেন, যাঁরা নিজেদের স্মার্টফোন আসক্ত বলে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা অধিক মাত্রায় বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তায় ভোগেন বলে দেখা গেছে।
গবেষক বলেন, যাঁরা বিরক্তি বা একঘেঁয়েমি কাটাতে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে স্মার্টফোন ব্যবহারের কোনো নেতিবাচক সম্পর্ক খুঁজে পাননি গবেষকেরা। অনলাইনে যাওয়ার বা স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাই মনোভাব অধিক গুরত্বপূর্ণ। বিলাসবহুল পণ্য হিসেবে মোবাইল ফোনের সুক্ষ্ম ভূমিকা থাকায় এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন গবেষকেরা।
Labels:
Other
Online course to become freelancers-অনলাইন কোর্স করে ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সুযোগ
অনলাইন কোর্স করে ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সুযোগ
Online course to become freelancers
দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে গতানুগতিক ক্লাসরুমের বাইরে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সম্প্রতি অনলাইনে ক্লাস ও ভিডিও কোর্স চালু করেছে তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণদাতা প্রতিষ্ঠান কোডারসট্রাস্ট। প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে প্রায় দুই বছর ধরে কাজ করছে কোডারসট্রাস্ট। ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫০০ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করেছে।
কোডারসট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাইলেই এখন যে কেউ বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোডারসট্রাস্টের অনলাইন কোর্সগুলো করে নিতে পারেন। প্রতিষ্ঠানটির ভারচুয়াল ক্লাসগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে অনলাইনে ক্লাস করলেও শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুমের মতোই মজাই পাবেন এখানে। অনলাইনে কোডারসট্রাস্টের যেকোনো প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা পরীক্ষামূলকভাবে বিনা মূল্যে নির্দিষ্ট সেই কোর্সটিও করে নিতে পারবেন।
কোডারসট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ফার্দিনান্দ বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের যেহেতু অনলাইনে কাজ করতে হয়। তাই তাঁরা যদি তাঁদের প্রশিক্ষণটাও অনলাইনে নিয়ে থাকেন, তবে সেটি হবে তাঁদের জন্য অনেক লাভজনক। অনলাইনে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময়েই তাঁরা তাঁদের কাজের ধরনটা বুঝতে পারবেন এবং এটি তাঁদের দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হতে সাহায্য করবে।
কোডারসট্রাস্টের হেড অব অপারেশন শাকিল মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য, যাঁরা আর্থিকভাবে অসচ্ছল, তাঁদের বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তৈরি করা। বর্তমানে আমরা কড়াইল বস্তিতে বিনা
মূল্যে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। ভবিষ্যতে আমাদের এ বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়বে।’
উল্লেখ্য, কোডারসট্রাস্টের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা তাঁদের অনলাইন কাজ বিক্রি করতে পারেন এবং এখান থেকে শিখতেও পারবেন। এ জন্য খরচ দেয় প্রতিষ্ঠানটি। পরে কাজের সুযোগও তৈরি করে দেয়। যখন কোডারসট্রাস্ট ব্যবহারকারী আয় করবেন, তখন ওই ঋণ শোধ করতে পারবেন। কোডারট্রাস্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানার লিংক (www.coderstrust.com)
Facebook's Zuckerberg liked the live video-ফেসবুকের লাইভ ভিডিও জাকারবার্গের খুব পছন্দ
ফেসবুকের লাইভ ভিডিও জাকারবার্গের খুব পছন্দ
ফেসবুকের নতুন সুবিধা ‘লাইভ ভিডিও’। নতুন এই সুবিধাটি গত কয়েক মাস ধরে অ্যাপলের আইওএস প্ল্যাটফর্মের জন্য ছাড়া হয়েছে। এবার অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মোবাইল ফোনগুলোর জন্যও সুবিধাটি চালু করা হয়েছে। শুক্রবার জার্মানির
বার্লিনে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানিয়েছেন ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা
ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। তিনি বলেন, ‘যে বিষয়গুলো নিয়ে আমি সবচেয়ে বেশি
উচ্ছ্বসিত, লাইভ ভিডিও সেসবের একটি।’
জাকারবার্গ বলেছেন, ‘আমরা এমন এক জগতে প্রবেশ করতে চলেছি, যেখানে ভিডিও হবে আমাদের প্রচারিত মূল বিষয়বস্তু। ভিডিওর মাধ্যমেই আমরা আমাদের চিন্তাভাবনা, ভালো লাগা-মন্দ লাগার বিষয়গুলো গোটা দুনিয়াকে জানাব। অবশ্যই, এর মধ্য দিয়ে ফেসবুকের নতুন এক যুগ শুরু হতে চলেছে।’
জাকারবার্গ জানান, টেলিভিশন নেটওয়ার্কের মতো করে নিজের ভাবনাগুলো সরাসরি সম্প্রচার করার এই সুবিধা সবার হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়ার এই মাধ্যমটি হবে ‘খুবই শক্তিশালী’। এই সুবিধাটি চালু করার মধ্য দিয়ে মূলত আরেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারের পেরিস্কোপ ও মিরক্যাটকেই অনুকরণ করল ফেসবুক।
শুক্রবারের ঘণ্টাব্যাপী প্রশ্নোত্তর পর্বে জাকারবার্গ আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। অপ্রীতিকর মন্তব্যের কোনো জায়গা ফেসবুকে নেই—এমনটা জানিয়ে জাকারবার্গ বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি নিখুঁত নয়, কিন্তু অপ্রীতিকর মন্তব্য খুঁজে বের করে শনাক্ত করতে ফেসবুক বদ্ধপরিকর।
জাকারবার্গ স্বীকার করে নিয়েছেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া দরকার। ফেসবুক তাদের গ্রাহকদের পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে চায় এবং সরকার ও হ্যাকারদের হাত থেকেও নিরাপদ রাখতে চায়।
ফেসবুকের না হয়ে, টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলে কী হতো? এমন প্রশ্নের জবাবে মৃদু হেসে জাকারবার্গ দর্শকদের স্মরণ করিয়ে দেন, ফেসবুক ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে একই সঙ্গে তারকাদের এবং সাধারণের অপরিমার্জিত বস্তু শেয়ার করার বড় সুযোগ করে দিয়েছে। আর ইনস্টাগ্রাম নিজেই টুইটারের চেয়ে বড়।
আয়রন ম্যান ছবির জার্ভিসের মতো একটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর চরিত্র তৈরি করার লক্ষ্য আছে জাকারবার্গের। যদিও অনেকে এটি নিয়ে চিন্তিত, কিন্তু এটা তাঁকে ভাবাচ্ছে না মোটেও। জাকারবার্গের মতে, নিজের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ভিডিওর পরের ধাপটা হচ্ছে ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি। তবে লাইকের স্থানে নানা ধরনের আবেগের অভিব্যক্তির প্রচলন দেখে ধারণা করা যায়, ‘ডিজলাইক’ বাটনও মনে হয় আসছে অচিরেই। বিজ্ঞাপনের মানের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও তাঁর মাথায় আছে।
সিনেট অবলম্বনে দেব দুলাল গুহ
জাকারবার্গ বলেছেন, ‘আমরা এমন এক জগতে প্রবেশ করতে চলেছি, যেখানে ভিডিও হবে আমাদের প্রচারিত মূল বিষয়বস্তু। ভিডিওর মাধ্যমেই আমরা আমাদের চিন্তাভাবনা, ভালো লাগা-মন্দ লাগার বিষয়গুলো গোটা দুনিয়াকে জানাব। অবশ্যই, এর মধ্য দিয়ে ফেসবুকের নতুন এক যুগ শুরু হতে চলেছে।’
জাকারবার্গ জানান, টেলিভিশন নেটওয়ার্কের মতো করে নিজের ভাবনাগুলো সরাসরি সম্প্রচার করার এই সুবিধা সবার হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়ার এই মাধ্যমটি হবে ‘খুবই শক্তিশালী’। এই সুবিধাটি চালু করার মধ্য দিয়ে মূলত আরেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারের পেরিস্কোপ ও মিরক্যাটকেই অনুকরণ করল ফেসবুক।
শুক্রবারের ঘণ্টাব্যাপী প্রশ্নোত্তর পর্বে জাকারবার্গ আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। অপ্রীতিকর মন্তব্যের কোনো জায়গা ফেসবুকে নেই—এমনটা জানিয়ে জাকারবার্গ বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি নিখুঁত নয়, কিন্তু অপ্রীতিকর মন্তব্য খুঁজে বের করে শনাক্ত করতে ফেসবুক বদ্ধপরিকর।
জাকারবার্গ স্বীকার করে নিয়েছেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া দরকার। ফেসবুক তাদের গ্রাহকদের পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে চায় এবং সরকার ও হ্যাকারদের হাত থেকেও নিরাপদ রাখতে চায়।
ফেসবুকের না হয়ে, টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলে কী হতো? এমন প্রশ্নের জবাবে মৃদু হেসে জাকারবার্গ দর্শকদের স্মরণ করিয়ে দেন, ফেসবুক ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে একই সঙ্গে তারকাদের এবং সাধারণের অপরিমার্জিত বস্তু শেয়ার করার বড় সুযোগ করে দিয়েছে। আর ইনস্টাগ্রাম নিজেই টুইটারের চেয়ে বড়।
আয়রন ম্যান ছবির জার্ভিসের মতো একটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর চরিত্র তৈরি করার লক্ষ্য আছে জাকারবার্গের। যদিও অনেকে এটি নিয়ে চিন্তিত, কিন্তু এটা তাঁকে ভাবাচ্ছে না মোটেও। জাকারবার্গের মতে, নিজের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ভিডিওর পরের ধাপটা হচ্ছে ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি। তবে লাইকের স্থানে নানা ধরনের আবেগের অভিব্যক্তির প্রচলন দেখে ধারণা করা যায়, ‘ডিজলাইক’ বাটনও মনে হয় আসছে অচিরেই। বিজ্ঞাপনের মানের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও তাঁর মাথায় আছে।
সিনেট অবলম্বনে দেব দুলাল গুহ
বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে পাস নম্বর ৬০ করার সুপারিশ
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি-অনিয়ম বন্ধে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)’র আদলে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগের সুপারিশ করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা। একই সঙ্গে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নম্বর ৪০ এর পরিবর্তে ৬০ নম্বর করা ও দেশে শূন্যপদের তালিকা প্রতিমাসে বুলেটিন আকারে প্রকাশের প্রস্তাব করেন তারা।
গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় শিক্ষাবিদ, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এমন মত দেন। সভায় শিক্ষাসংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবং সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আফসারুল আমিন বলেন, শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে বার বার ওঠে আসে দুর্নীতি। ম্যানিজিং কমিটির পরিচালায় পরিবর্তন করা উচিত। আমাদের মূল বক্তব্য মেধাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া। ছাত্র ৩৩ পেলে পাস করবে আর শিক্ষক হওয়ার জন্য ৪০ নম্বর পাবেন তা না করে শিক্ষকের পাস নম্বর দ্বিগুণ করুন। এ ছাড়া ইউনিয়ন ভিত্তিক মেধা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত, শিক্ষানীতি অনুযায়ী পিএসসির অনুরূপ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করার জন্য শিক্ষাবিদরা মতামত দিয়েছেন। একটি নীতিমালার জন্য সকলের মতামত চেয়েছি। ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, আগে যারা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের জন্য কী ব্যবস্থা রাখা হয়েছে তা জানতে চান। শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য অধ্যাপক কাজী ফারুক আহমেদ বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে পরিচালনা কমিটি সংস্কার দরকার। রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিরা হস্তক্ষেপ করেন। ম্যানেজিং কমিটিতে যারা থাকেন তাদের যোগ্যতা নির্ধারণ করাও দরকার। জনপ্রতিনিধিদের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিতে পারলে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ সম্ভব। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. হারুন অর রশিদ বলেন, শিক্ষক নিয়োগে বাণিজ্য হচ্ছে নির্দিষ্ট সত্য। এমপিরা ৪টি প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে থাকেন। নিয়োগ বাণিজ্যের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে তারা দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। অধ্যাপক জাফর ইকবাল বলেন, ভালো শিক্ষার জন্য ভালো শিক্ষক দরকার। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি বন্ধের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নতি হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খন্দকার সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষক নিয়োগের জন্য একটি ভালো পরীক্ষা নেয়ার জন্য পাস নম্বর বাড়ানো দরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমেদ বলেন, সারা দেশে ৭৪৫টি সরকারি ও ২৮ হাজার ৩৮৩টি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিবছর ৮ হাজার ২৫০ কোটি টাকার খরচ করতে হয় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পেছনে। প্রতি বছর মেধা ভিত্তিক শূন্যপদের ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। প্রতিবছর ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে শূন্যপদের বিবরণ এনটিআরসিতে পাঠাবে। এখন থেকে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে। সনদের মেয়াদ থাকবে তিন বছর। সে আলোকে এনটিআরসি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা তালিকা অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করে উপজেলা মেধা তালিকা নিয়োগের অগ্রাধিকার পাবে। এরপর জেলা বিভাগ ও জাতীয় মেধা তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ পাবেন বলেও জানান তিনি।
সভায় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন- শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এনামুল হক, শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ, অধ্যাপক একরামুল কবির, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন, দক্ষিণখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন, প্রধান শিক্ষক মো. ইদ্রিস আলী প্রমুখ।
গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় শিক্ষাবিদ, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এমন মত দেন। সভায় শিক্ষাসংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবং সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আফসারুল আমিন বলেন, শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে বার বার ওঠে আসে দুর্নীতি। ম্যানিজিং কমিটির পরিচালায় পরিবর্তন করা উচিত। আমাদের মূল বক্তব্য মেধাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া। ছাত্র ৩৩ পেলে পাস করবে আর শিক্ষক হওয়ার জন্য ৪০ নম্বর পাবেন তা না করে শিক্ষকের পাস নম্বর দ্বিগুণ করুন। এ ছাড়া ইউনিয়ন ভিত্তিক মেধা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত, শিক্ষানীতি অনুযায়ী পিএসসির অনুরূপ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করার জন্য শিক্ষাবিদরা মতামত দিয়েছেন। একটি নীতিমালার জন্য সকলের মতামত চেয়েছি। ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, আগে যারা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের জন্য কী ব্যবস্থা রাখা হয়েছে তা জানতে চান। শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য অধ্যাপক কাজী ফারুক আহমেদ বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে পরিচালনা কমিটি সংস্কার দরকার। রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিরা হস্তক্ষেপ করেন। ম্যানেজিং কমিটিতে যারা থাকেন তাদের যোগ্যতা নির্ধারণ করাও দরকার। জনপ্রতিনিধিদের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিতে পারলে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ সম্ভব। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. হারুন অর রশিদ বলেন, শিক্ষক নিয়োগে বাণিজ্য হচ্ছে নির্দিষ্ট সত্য। এমপিরা ৪টি প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে থাকেন। নিয়োগ বাণিজ্যের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে তারা দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। অধ্যাপক জাফর ইকবাল বলেন, ভালো শিক্ষার জন্য ভালো শিক্ষক দরকার। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি বন্ধের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নতি হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খন্দকার সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষক নিয়োগের জন্য একটি ভালো পরীক্ষা নেয়ার জন্য পাস নম্বর বাড়ানো দরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমেদ বলেন, সারা দেশে ৭৪৫টি সরকারি ও ২৮ হাজার ৩৮৩টি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিবছর ৮ হাজার ২৫০ কোটি টাকার খরচ করতে হয় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পেছনে। প্রতি বছর মেধা ভিত্তিক শূন্যপদের ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। প্রতিবছর ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে শূন্যপদের বিবরণ এনটিআরসিতে পাঠাবে। এখন থেকে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে। সনদের মেয়াদ থাকবে তিন বছর। সে আলোকে এনটিআরসি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা তালিকা অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করে উপজেলা মেধা তালিকা নিয়োগের অগ্রাধিকার পাবে। এরপর জেলা বিভাগ ও জাতীয় মেধা তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ পাবেন বলেও জানান তিনি।
সভায় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন- শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এনামুল হক, শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মঞ্জুর আহমেদ, অধ্যাপক একরামুল কবির, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন, দক্ষিণখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন, প্রধান শিক্ষক মো. ইদ্রিস আলী প্রমুখ।
Labels:
Other
What will be the 5 G? কেমন হবে ৫জি?
থ্রিজি, ৪জির পর এখন চলছে ৫জি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা। মাত্র পাঁচ বছর আগে ৪জি নেটওয়ার্ক উপযোগী স্মার্টফোন বাজারে বিক্রি শুরু হয়। কিন্তু এখনই ওয়্যারলেস শিল্পে ৫জি নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। মোবাইল ফোন অপারেটর, স্মার্টফোন চিপ নির্মাতা, নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতি নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৫ জি বা পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে। সিএনএন সম্প্রতি ৫জি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্মার্টফোনের পর্দায় নেটওয়ার্ক সংকেতের চিহ্ন হিসেবে ৫জি দেখার আগে ওয়্যারলেস শিল্পকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাধা পেরোতে এবং ৫জির বিষয়টি পরিষ্কার হতে হবে। এখন পর্যন্ত ৫জি কেমন হবে, এর অর্থ কী হবে, কখন সহজলভ্য হবে—এ বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। কিন্তু মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মানুষের ভিডিও দেখার হার বাড়তে থাকায় ৫জির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন এ শিল্পসংশ্লিষ্ট গবেষকেরা। টেলিকম প্রকৌশলীরা ৫জি নিয়ে অধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করায় ৫জির বিষয়টি ধীরে ধীরে সামনে চলে আসছে।
৫জি কী?
ইংরেজিতে টুজি, থ্রিজি, ৪জি বা ৫জিতে ব্যবহৃত ‘জি’ অর্থ জেনারেশন বা প্রজন্ম। ৫জি হচ্ছে পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস বা তারহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি। অবশ্য এর মান এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের মোবাইল অপারেটর এটিঅ্যান্ডটি নেটওয়ার্ক অপারেশনসের প্রেসিডেন্ট বিল স্মিথ বলেন, ২০১৮ সাল নাগাদ ৫জির সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হতে পারে। ২০১৯ সালে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) ৫জির মান নির্ধারণ করবে। কোন প্রযুক্তিকে ৫জি বলা যাবে বা কোন বৈশিষ্ট্য থাকবে বা এর গতি কেমন হবে—এই মান তা ঠিক করবে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্মার্টফোনের পর্দায় নেটওয়ার্ক সংকেতের চিহ্ন হিসেবে ৫জি দেখার আগে ওয়্যারলেস শিল্পকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাধা পেরোতে এবং ৫জির বিষয়টি পরিষ্কার হতে হবে। এখন পর্যন্ত ৫জি কেমন হবে, এর অর্থ কী হবে, কখন সহজলভ্য হবে—এ বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। কিন্তু মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মানুষের ভিডিও দেখার হার বাড়তে থাকায় ৫জির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন এ শিল্পসংশ্লিষ্ট গবেষকেরা। টেলিকম প্রকৌশলীরা ৫জি নিয়ে অধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করায় ৫জির বিষয়টি ধীরে ধীরে সামনে চলে আসছে।
৫জি কী?
ইংরেজিতে টুজি, থ্রিজি, ৪জি বা ৫জিতে ব্যবহৃত ‘জি’ অর্থ জেনারেশন বা প্রজন্ম। ৫জি হচ্ছে পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস বা তারহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি। অবশ্য এর মান এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের মোবাইল অপারেটর এটিঅ্যান্ডটি নেটওয়ার্ক অপারেশনসের প্রেসিডেন্ট বিল স্মিথ বলেন, ২০১৮ সাল নাগাদ ৫জির সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হতে পারে। ২০১৯ সালে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) ৫জির মান নির্ধারণ করবে। কোন প্রযুক্তিকে ৫জি বলা যাবে বা কোন বৈশিষ্ট্য থাকবে বা এর গতি কেমন হবে—এই মান তা ঠিক করবে।
তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা এখনই ৫জি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা করতে পারেন। তাঁদের মতে, শক্তি সাশ্রয়ী, দ্রুতগতির ও স্মার্ট হবে ৫জি। এতে নতুন তারহীন প্রযুক্তির পণ্য বাজারে পাওয়া যাবে। এতে আরও দ্রুতগতির স্মার্টফোন, স্মার্ট বাড়িতে ব্যবহৃত পণ্য ও দীর্ঘস্থায়ী প্রযুক্তিপণ্য তৈরি করা যাবে।
৫জির গতি কেমন হবে?
৪জির চেয়ে ৪০ গুণ দ্রুতগতির হবে ৫জি, যাতে থ্রিডি মুভি ৬ সেকেন্ডেই ডাউনলোড করা যাবে। ৪জিতে একটি থ্রিডি মুভি ডাউনলোড করতে ৬ মিনিট সময় লাগে। তবে পরীক্ষাগারের ফল আর বাস্তবের ফলের মধ্যে পার্থক্য থাকে। পরীক্ষাগারে ভালো ফল পাওয়া গেলেও বাস্তবে গতি অনেক কম পাওয়া যায়।
বর্তমানে ৫জি নিয়ে কাজ করছে ফিনল্যান্ডের নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতি নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান নকিয়া। নকিয়ার কর্মকর্তাদের মতে, ৫জি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাস্তবে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবিট পর্যন্ত গতি পাওয়া যেতে পারে, যা ৪জির সর্বোচ্চ গতির চেয়ে চার গুণ দ্রুত।
৫জির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হবে কম সময়ে নির্দেশ গ্রহণ করে নেটওয়ার্কে তা সম্পাদন করা। এতে দ্রুত ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ভিডিও, বার্তা লোড ও আদান-প্রদান করা যাবে।
৫জি কীভাবে কাজ করবে
বেশ কিছু নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ৫জি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো ৭৩ হাজার মেগাহার্টজের মতো তরঙ্গ নিয়ে ৫জির পরীক্ষা চালাচ্ছে। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৭০০ মেগাহার্টজ থেকে ৩ হাজার ৫০০ মেগাহার্টজে সীমাবদ্ধ। উচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সংকেতের সুবিধা হচ্ছে এতে দ্রুতগতিতে তথ্য স্থানান্তর করা যায়। এর অসুবিধা হচ্ছে, এটি বেশি দৈর্ঘ্য অতিক্রম করতে পারে না ও দেয়ালের মতো বাধা পেরোতে পারে না। এ জন্য লাখো মিনি টাওয়ার বসানো দরকার হবে।
কবে আসবে ৫জি
৫জি নিয়ে এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর বাকি। তাই শিগগিরই ৫জি আসছে না। গবেষকেরা ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় উইন্টার অলিম্পিকসের সময় ৫জি নিয়ে পরীক্ষা চালাবেন। ২০২০ সাল থেকে এটি বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করতে পারে। অবশ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মোবাইল অপারেটর ভেরিজন বলছে, ২০১৭ সালের মধ্যেই তারা ৫জি আনতে পারবে। তবে ৫জি আসার আগে এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পরিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি স্মার্টফোন নির্মাতাদের সাশ্রয়ী খরচে ৫জি সংকেত গ্রহণ ও পাঠানোর উপযোগী চিপ তৈরি করতে হবে।
৫জির গতি কেমন হবে?
৪জির চেয়ে ৪০ গুণ দ্রুতগতির হবে ৫জি, যাতে থ্রিডি মুভি ৬ সেকেন্ডেই ডাউনলোড করা যাবে। ৪জিতে একটি থ্রিডি মুভি ডাউনলোড করতে ৬ মিনিট সময় লাগে। তবে পরীক্ষাগারের ফল আর বাস্তবের ফলের মধ্যে পার্থক্য থাকে। পরীক্ষাগারে ভালো ফল পাওয়া গেলেও বাস্তবে গতি অনেক কম পাওয়া যায়।
বর্তমানে ৫জি নিয়ে কাজ করছে ফিনল্যান্ডের নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতি নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান নকিয়া। নকিয়ার কর্মকর্তাদের মতে, ৫জি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাস্তবে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবিট পর্যন্ত গতি পাওয়া যেতে পারে, যা ৪জির সর্বোচ্চ গতির চেয়ে চার গুণ দ্রুত।
৫জির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হবে কম সময়ে নির্দেশ গ্রহণ করে নেটওয়ার্কে তা সম্পাদন করা। এতে দ্রুত ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ভিডিও, বার্তা লোড ও আদান-প্রদান করা যাবে।
৫জি কীভাবে কাজ করবে
বেশ কিছু নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ৫জি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো ৭৩ হাজার মেগাহার্টজের মতো তরঙ্গ নিয়ে ৫জির পরীক্ষা চালাচ্ছে। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৭০০ মেগাহার্টজ থেকে ৩ হাজার ৫০০ মেগাহার্টজে সীমাবদ্ধ। উচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সংকেতের সুবিধা হচ্ছে এতে দ্রুতগতিতে তথ্য স্থানান্তর করা যায়। এর অসুবিধা হচ্ছে, এটি বেশি দৈর্ঘ্য অতিক্রম করতে পারে না ও দেয়ালের মতো বাধা পেরোতে পারে না। এ জন্য লাখো মিনি টাওয়ার বসানো দরকার হবে।
কবে আসবে ৫জি
৫জি নিয়ে এখনো অনেক প্রশ্নের উত্তর বাকি। তাই শিগগিরই ৫জি আসছে না। গবেষকেরা ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় উইন্টার অলিম্পিকসের সময় ৫জি নিয়ে পরীক্ষা চালাবেন। ২০২০ সাল থেকে এটি বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করতে পারে। অবশ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মোবাইল অপারেটর ভেরিজন বলছে, ২০১৭ সালের মধ্যেই তারা ৫জি আনতে পারবে। তবে ৫জি আসার আগে এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পরিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি স্মার্টফোন নির্মাতাদের সাশ্রয়ী খরচে ৫জি সংকেত গ্রহণ ও পাঠানোর উপযোগী চিপ তৈরি করতে হবে।
Labels:
Other
Bangladesh without a visa in the passport can travel to 50 countries ! ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে যে ৫০টি দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন !
বাংলাদেশি হিসেবে ভিসা ছাড়াই শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্টের জোরে আপনি ৫০টি দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন। আর্থিক খাতের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আরটন ক্যাপিটাল প্রভাবশালী পাসপোর্টের তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম। অরটন ক্যাপিটালের নিয়ন্ত্রিত পাসপোর্ট ইনডেস্ক ডটঅর্গ ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ৫০টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন। এ দেশগুলোর কয়েকটিতে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসার প্রয়োজনই হয় না। বাকি দেশগুলোর প্রায় সবগুলোর ক্ষেত্রেই সেখানে পৌঁছে ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ করে নিতে হবে। আর, দু-একটি দেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন ব্যবস্থা প্রযোজ্য।
পাসপোর্ট ইনডেক্স ডটঅর্গে বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের প্রভাব নিয়ে ৮০ পর্যন্ত তালিকা করা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭। কোনো দেশের পাসপোর্টধারী ভিসা ছাড়াই অন্য দেশের যাওয়ার সংখ্যার ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও মাইক্রোনেশিয়া ও টোগোর পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। পাসপোর্টের প্রভাবের তালিকায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান হলো, আফগানিস্তান ৭৯ (পূর্বে ভিসা লাগবে না ৩৮ দেশে), ভারত ৫৯ (ভিসাহীন ৫৯), পাকিস্তান ৭১ (ভিসাহীন ৪৬), মালদ্বীপ ৫৩ (ভিসাহীন ৬৫), নেপাল ৭৯ (ভিসাহীন ৩৮), ভুটান ৭৯ (ভিসাহীন ৪০), শ্রীলংকা ৭০ (ভিসাহীন ৪৭)।
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী পাসপোর্ট হলো যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের। তালিকায় এক নম্বরে থাকা দেশ দুটির পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়াই ১৪৭ টি দেশে যাওয়া যায়। আর তালিকার একদম তলানিতে ৮০তম অবস্থানে আছে সাওটম ও প্রিন্সিপে, ফিলিস্তিন, সলোমন আইল্যান্ড, মিয়ানমার ও দক্ষিণ সুদান। এই দেশগুলোর পাসপোর্টে মাত্র ২৮টি দেশে ভিসা ছাড়া প্রবেশাধিকার আছে।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ৫০টি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশের অনুমতির কথা বলা হলেও পার্সপোর্ট ইনডেস্ক ডট অর্গ দেশগুলোর তালিকা প্রকাশ করেনি। আর উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সূত্রে নিন্মোক্ত ৪৫ টি দেশের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসাই লাগবে না এমন দেশগুলো হলো :
১. বাহামাস (চার সপ্তাহ পর্যন্ত)
২. বার্বাডোস (ছয় মাস)
৩. ডোমিনিকা (ছয় মাস)
৪. ফিজি (চার মাস)
৫. গাম্বিয়া (তিন মাস)
৬. গ্রানাডা (তিন মাস)
৭. হাইতি (তিন মাস)
৮. জ্যামাইকা
৯. লেসোথো (তিন মাস)
১০. মালাওয়ি (তিন মাস)
১১. মাইক্রোনেশিয়া (এক মাস)
১২. সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস
১৩. সেইন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রানাডিনস (এক মাস)
১৪. ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো
১৫. ভানুয়াতু (এক মাস)
১৬. মন্টসেরাত (তিন মাস)
১৭. টার্ক অ্যান্ড সিসেরো আইল্যান্ড (এক মাস)
১৮. ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ড (এক মাস)
১৯. মাক্রোনেশিয়া (এক মাস)
২০. নিউয়ি (এক মাস)
২. বার্বাডোস (ছয় মাস)
৩. ডোমিনিকা (ছয় মাস)
৪. ফিজি (চার মাস)
৫. গাম্বিয়া (তিন মাস)
৬. গ্রানাডা (তিন মাস)
৭. হাইতি (তিন মাস)
৮. জ্যামাইকা
৯. লেসোথো (তিন মাস)
১০. মালাওয়ি (তিন মাস)
১১. মাইক্রোনেশিয়া (এক মাস)
১২. সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস
১৩. সেইন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রানাডিনস (এক মাস)
১৪. ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো
১৫. ভানুয়াতু (এক মাস)
১৬. মন্টসেরাত (তিন মাস)
১৭. টার্ক অ্যান্ড সিসেরো আইল্যান্ড (এক মাস)
১৮. ব্রিটিশ ভার্জিনিয়া আইল্যান্ড (এক মাস)
১৯. মাক্রোনেশিয়া (এক মাস)
২০. নিউয়ি (এক মাস)
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন, তবে সেখানে পৌঁছে ভিসা করতে হবে এমন দেশগুলো হলো:
১. ভুটান
২. বলিভিয়া (তিন মাসের ভিসা)
৩. কেপ ভার্দে
৪. কমোরোস
৫. গিনি বিসাউ (তিন মাস)
৬. মাদাগাস্কার (তিন মাস)
৭. মালদ্বীপ (এক মাস)
৮. মাওরিতানিয়া
৯. মোজাম্বিক (এক মাস)
১০. নেপাল (এক মাস)
১১. নিকারাগুয়া (তিন মাস)
১২. তিমরলেস্টে (এক মাস)
১৩. টোগো (সাত দিন)
১৪. তুভালু (এক মাস)
১৫. উগান্ডা
১৬. বুরুন্ডি
১৭. জিবুতি (এক মাস)
১৮. আজারবাইজান (এক মাস)
১৯. ম্যাকাউ (এক মাস)
২. বলিভিয়া (তিন মাসের ভিসা)
৩. কেপ ভার্দে
৪. কমোরোস
৫. গিনি বিসাউ (তিন মাস)
৬. মাদাগাস্কার (তিন মাস)
৭. মালদ্বীপ (এক মাস)
৮. মাওরিতানিয়া
৯. মোজাম্বিক (এক মাস)
১০. নেপাল (এক মাস)
১১. নিকারাগুয়া (তিন মাস)
১২. তিমরলেস্টে (এক মাস)
১৩. টোগো (সাত দিন)
১৪. তুভালু (এক মাস)
১৫. উগান্ডা
১৬. বুরুন্ডি
১৭. জিবুতি (এক মাস)
১৮. আজারবাইজান (এক মাস)
১৯. ম্যাকাউ (এক মাস)
বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলে ভিসা লাগবে না তবে বিশেষ অনুমোদন লাগবে এমন দেশগুলো হলো :
১. কিউবা (টুরিস্ট কার্ড জোগাড় করতে হবে, মেয়াদ তিন মাস)
২. সামোয়া (ঢোকার অনুমতিপত্র থাকলেই হলো, মেয়াদ দুই মাস)
৩. সেচেলেস (ভ্রমণের অনুমতিপত্র থাকতে হবে, মেয়াদ এক মাস)
৪. সোমালিয়া (ওই দেশে থাকা কেউ স্পন্সর করলে ভিসা পৌঁছেও করা যাবে, যার মেয়াদ হবে এক মাস। তবে সোমালিয়া পৌঁছানোর দুদিন আগে সেখানকার বিমানবন্দরে বিষয়টি জানিয়ে রাখতে হবে)
৫. শ্রীলংকা (ভ্রমণের জন্য ইলেকট্রনিক অনুমোদনপত্র, মেয়াদ এক মাস)
৬. লাওস (সরকারি কোনো সফরের নথিপত্র থাকলে ভিসা প্রয়োজন হবে না)
২. সামোয়া (ঢোকার অনুমতিপত্র থাকলেই হলো, মেয়াদ দুই মাস)
৩. সেচেলেস (ভ্রমণের অনুমতিপত্র থাকতে হবে, মেয়াদ এক মাস)
৪. সোমালিয়া (ওই দেশে থাকা কেউ স্পন্সর করলে ভিসা পৌঁছেও করা যাবে, যার মেয়াদ হবে এক মাস। তবে সোমালিয়া পৌঁছানোর দুদিন আগে সেখানকার বিমানবন্দরে বিষয়টি জানিয়ে রাখতে হবে)
৫. শ্রীলংকা (ভ্রমণের জন্য ইলেকট্রনিক অনুমোদনপত্র, মেয়াদ এক মাস)
৬. লাওস (সরকারি কোনো সফরের নথিপত্র থাকলে ভিসা প্রয়োজন হবে না)
বন্ধুদের সাথে ফেসবুকে শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দেন !
যে মসজিদ তৈরী করে নতুন বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ!
বাংলাদেশসহ বিশ্বের মসজিদের ইতিহাসে জায়গা করে নিতে যাচ্ছে নির্মাণাধীন ঐতিহাসিক ২০১ গম্বুজ মসজিদ, নির্মাণাধীন এ ২০১ গম্বুজ মসজিদে থাকবে বিশ্বের বেশি সংখ্যক গম্বুজ ও ৪৫১ ফুট উচুঁ একটি মিনার। যা একটি বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করে গিনেস রেকর্ড বুকে নাম লেখাতে চলেছে, শুধু তাই আল্লাহর ঘর এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি বাংলাদেশকে বিশ্বে নতুন করে পরিচিত করে তুলতে সহায়ক হবে এবং প্রচুর বিদেশি পর্যটক, ওলি আউলিয়ার আগমন ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যাগে মসজিদটি নির্মিত হচ্ছে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার দক্ষিন পাথালিয়া গ্রামে ।
২৭১ শতাংশ জায়গায় নির্মাণাধীন মসজিদের কাজ ইতোমধ্যেই ৭৫% শেষ হয়েছে। নির্মাণাধীন অবস্থায়ই মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় শুরু হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যাগে নির্মাণাধীন এ মসজিদে থাকবে ২০১টি গম্বুজ। বাংলাদেশ ও বিশ্বের ইতিহাসে এত বেশি গম্বুজ বিশিষ্ট কোনো মসজিদ এর আগে নির্মাণ করা হয়নি।
নির্মাণাধীন এ ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদে থাকবে অত্যাধুনিক সব সুবিধা। মসজিদটিতে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।
মসজিদের পশ্চিমের দেয়ালে অংকিত থাকবে সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআন। আর মসজিদের প্রধান দরজায় ব্যবহার করা হবে ৫০ মন পিতল।
আজান প্রচারের জন্য মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে উচুঁ মিনার। উচ্চতার হিসেবে মিনারটি হবে প্রায় ৫৭ তলার সমপরিমাণ অর্থাৎ ৪৫১ ফুট।
মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে আলাদা ভবন। ওই ভবেন থাকবে, দুঃস্থ মহিলাদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা।
মসজিদটির নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
নির্মাতাদের প্রত্যাশা, শৈল্পিক স্থাপনা হিসেবে এ মসজিদটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের এক প্রতীক হয়ে দাঁড়াবে । ইতোমধ্যেই (নির্মাণাধীন অবস্থায়) মসজিদটি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক নির্মাণ কাজ দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন।
মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে। এ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মা রিজিয়া খাতুন।
আশা করা হচ্ছে, ২০১৭ সালের প্রথম দিকে পবিত্র কাবা শরিফের ইমামের উপস্থিতি ও ইমামতির মাধ্যমে মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
Labels:
Other
Cabinet approves domestic security policy গৃহকর্মী সুরক্ষার নীতিমালা মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
গৃহকর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণে একটি নীতিমালা আজ সোমবার অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
পরে এ বিষয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতিমালা আজ মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। এই নীতির মূল কথা—গৃহ শ্রমিকদের জন্য শোভন কাজ, নিরাপদ বিশ্রাম, বিনোদন ছুটি ও মাতৃত্বকালীন ছুটি নিশ্চিত করা। জেনেভা কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই নীতিমালা অনুমোদন করেছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ আইনের আলোকে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে গৃহকর্মীর বয়স হবে ন্যূনতম ১৪ বছর। ১৪ থেকে ১৮ বছরের শ্রমিকেরা হালকা কাজ করতে পারবে। আর ১৮ বছরের বেশি বয়সীরা হালকা ও ভারী কাজ করতে পারবেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, মালিক ও গৃহশ্রমিকের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শ্রমঘণ্টা নির্ধারণ করা হবে। গৃহশ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটি হবে ১৬ সপ্তাহ। আর অন্যান্য ছুটি আলোচনা সাপেক্ষে ঠিক করা হবে। কোনো গৃহশ্রমিক নির্যাতনের শিকার হলে এর বিচার হবে প্রচলিত আইনে। গৃহশ্রমিকদের জন্য হেল্পলাইন চালু করা হবে বলেও তিনি জানান।
এ বছরের সেরা অ্যাপ ‘ফেসবুক’
এ বছরের শীর্ষ অ্যাপ হিসেবে জায়গা ধরে রেখেছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের
নেটওয়ার্ক ফেসবুক। মার্কিন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের গড় সংখ্যার হিসেব করে
এ তথ্য জানিয়েছে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়েলসেন।
শীর্ষ অ্যাপ হিসেবে ফেসবুক জায়গা ধরে রাখলেও সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া অ্যাপ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে ফেসবুকের মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন।
২০১৪ সাল থেকে মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশনটিকে ফেসববুক থেকে পৃথক করে আলাদা চ্যাট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাঁড় করায় ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জোর করেই এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারে বাধ্য করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১৫ সালের শুরুর দিকেই এটি অ্যাপ স্টোরের শীর্ষে চলে আসে। ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে এসে মেসেঞ্জোর ব্যবহারকারী ৩১ শতাংশ হারে বেড়েছে।
নিয়েলসেনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারী হিসেবে এ বছরের শীর্ষ অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, ইউটিউব, ফেসবুক মেসেঞ্জার, গুগল সার্চ, গুগল প্লে, গুগল ম্যাপস, জিমেইল, ইনস্টাগ্রাম, অ্যাপল মিউজিক, ম্যাপস (অ্যাপল)।
শীর্ষ অ্যাপ হিসেবে ফেসবুক জায়গা ধরে রাখলেও সবচেয়ে দ্রুত জনপ্রিয় হওয়া অ্যাপ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে ফেসবুকের মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন।
২০১৪ সাল থেকে মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশনটিকে ফেসববুক থেকে পৃথক করে আলাদা চ্যাট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাঁড় করায় ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জোর করেই এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারে বাধ্য করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১৫ সালের শুরুর দিকেই এটি অ্যাপ স্টোরের শীর্ষে চলে আসে। ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে এসে মেসেঞ্জোর ব্যবহারকারী ৩১ শতাংশ হারে বেড়েছে।
নিয়েলসেনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারী হিসেবে এ বছরের শীর্ষ অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, ইউটিউব, ফেসবুক মেসেঞ্জার, গুগল সার্চ, গুগল প্লে, গুগল ম্যাপস, জিমেইল, ইনস্টাগ্রাম, অ্যাপল মিউজিক, ম্যাপস (অ্যাপল)।
Labels:
Other
Microsoft ayapaayandrayedera Microsoft App for Android অ্যান্ড্রয়েডের জন্য মাইক্রোসফটের অ্যাপঅ্যান্ড্রয়েডের জন্য মাইক্রোসফটের অ্যাপ
অ্যান্ড্রয়েডের জন্য মাইক্রোসফটের অ্যাপঅ্যান্ড্রয়েডের জন্য মাইক্রোসফটের অ্যাপ
অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যারচালিত মোবাইল ফোনের জন্য বেশ কিছু অ্যাপস ছেড়েছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা মাইক্রোসফট। এসব অ্যাপস সহজে খুঁজে বের করতে এবং একসঙ্গে পেতে ‘মাইক্রোসফট অ্যাপস’ নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন উন্মুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে স্মার্টগ্লাস, ওয়ান ড্রাইভ, বিং সার্চ, অফিস স্যুট প্রভৃতি।
গুগলের প্লে স্টোরে সার্চ বক্সে প্রয়োজনীয় অ্যাপের নাম লিখে সার্চ বা অনুসন্ধান করলেই তা চলে আসে। এরপরও কেউ যদি মাইক্রোসফটের অ্যাপ খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েন, তবে ‘মাইক্রোসফট অ্যাপস’ তাঁকে সাহায্য করবে। মাইক্রোসফট অ্যাপস ডাউনলোড লিংক (গুগলের প্লে স্টোরে সার্চ বক্সে প্রয়োজনীয় অ্যাপের নাম লিখে সার্চ বা অনুসন্ধান করলেই তা চলে আসে। তারপরও কেউ যদি মাইক্রোসফটের অ্যাপ খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েন তবে ‘মাইক্রোসফট অ্যাপস’ তাঁকে সাহায্য করবে। মাইক্রোসফট অ্যাপস ডাউনলোড লিংক https://play. google. com/store/apps/details? id=com. microsoft. appmanager
The new phone is coming with ASUS বাংলাদেশে নতুন ফোন নিয়ে আসছে আসুস
বাংলাদেশের বাজারে আগামী বছর নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে
তাইওয়ানের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আসুস। ‘জেন ফোন ৩’ স্মার্টফোন
বাজারে এনে স্মার্টফোনের বাজারে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর
সঙ্গে টক্কর দিতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ডিজিটাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আগামী বছর জেন ফোন সিরিজের স্মার্টফোনের বাজার বাড়াতে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, মিসর ও নাইজেরিয়ায় কাজ করবে আসুস কর্তৃপক্ষ।
আসুসের তৈরি জেন ফোন ৩ সিরিজের স্মার্টফোন হবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরযুক্ত। আগামী বছরের মে-জুন মাস নাগাদ জেন ফোন সিরিজের তৃতীয় সংস্করণ বাজারে আসতে পারে।
তাইওয়ানভিত্তিক একাধিক প্রযুক্তিপণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বরাতে ডিজিটাইমস জানিয়েছে, আসুসের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরযুক্ত প্রথম স্মার্টফোন সিরিজ বাজারে আসতে যাচ্ছে। এর আগে ২০১৪ সালে জেন ফোন ও ২০১৫ সালের প্রথমদিকে জেন ফোন ২ সিরিজ বাজারে ছেড়েছিল আসুস। এ বছরের প্রথম প্রান্তিকেই জেন ফোন ৩ বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। জেন ফোন ৩ সিরিজের জন্য তাইওয়ানের এলান মাইক্রোইলেকট্রনিকস ও চীনের গুডিক্সের কাছ থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকরণ প্রযুক্তি নিতে পারে আসুস।
তাইওয়ানের স্মার্টফোন নির্মাতা আসুস তাদের জেন ফোন সিরিজের স্মার্টফোন বাজারে এনে দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ করে ভারতের বাজারে ভালো সাড়া পেয়েছে। এ ছাড়াও ব্রাজিল, রাশিয়া ও তাইওয়ানের বাজারে সাড়া পেয়েছে আসুস। তবে স্মার্টফোনের বাজারে হুয়াই, শিয়াওমি, লেনোভো, অপো, ভিভো, মেইজু, কুলপ্যাড, জেডটিই ও টিসিএলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে আসুসকে।
আসুসের প্রধান নির্বাহী জনি শিহ বলেছেন, নতুন স্মার্টফোনের সঙ্গে থাকছে ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট নামের দ্রুতগতির পোর্ট। এখন পর্যন্ত ওয়ানপ্লাস টু, নেক্সাস ৫ এক্স, নেক্সাস ৬পি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। মাইক্রোসফটের লুমিয়া ৯৫০ ও ৯৫০ এক্সএল, নকিয়া এন ১ ট্যাবলেটে ইউএসবি-সি পোর্ট রয়েছে।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ডিজিটাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আগামী বছর জেন ফোন সিরিজের স্মার্টফোনের বাজার বাড়াতে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, মিসর ও নাইজেরিয়ায় কাজ করবে আসুস কর্তৃপক্ষ।
আসুসের তৈরি জেন ফোন ৩ সিরিজের স্মার্টফোন হবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরযুক্ত। আগামী বছরের মে-জুন মাস নাগাদ জেন ফোন সিরিজের তৃতীয় সংস্করণ বাজারে আসতে পারে।
তাইওয়ানভিত্তিক একাধিক প্রযুক্তিপণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বরাতে ডিজিটাইমস জানিয়েছে, আসুসের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরযুক্ত প্রথম স্মার্টফোন সিরিজ বাজারে আসতে যাচ্ছে। এর আগে ২০১৪ সালে জেন ফোন ও ২০১৫ সালের প্রথমদিকে জেন ফোন ২ সিরিজ বাজারে ছেড়েছিল আসুস। এ বছরের প্রথম প্রান্তিকেই জেন ফোন ৩ বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। জেন ফোন ৩ সিরিজের জন্য তাইওয়ানের এলান মাইক্রোইলেকট্রনিকস ও চীনের গুডিক্সের কাছ থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকরণ প্রযুক্তি নিতে পারে আসুস।
তাইওয়ানের স্মার্টফোন নির্মাতা আসুস তাদের জেন ফোন সিরিজের স্মার্টফোন বাজারে এনে দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ করে ভারতের বাজারে ভালো সাড়া পেয়েছে। এ ছাড়াও ব্রাজিল, রাশিয়া ও তাইওয়ানের বাজারে সাড়া পেয়েছে আসুস। তবে স্মার্টফোনের বাজারে হুয়াই, শিয়াওমি, লেনোভো, অপো, ভিভো, মেইজু, কুলপ্যাড, জেডটিই ও টিসিএলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে আসুসকে।
আসুসের প্রধান নির্বাহী জনি শিহ বলেছেন, নতুন স্মার্টফোনের সঙ্গে থাকছে ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট নামের দ্রুতগতির পোর্ট। এখন পর্যন্ত ওয়ানপ্লাস টু, নেক্সাস ৫ এক্স, নেক্সাস ৬পি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। মাইক্রোসফটের লুমিয়া ৯৫০ ও ৯৫০ এক্সএল, নকিয়া এন ১ ট্যাবলেটে ইউএসবি-সি পোর্ট রয়েছে।
Labels:
Other
গরিবের জন্য সরকারের চিকিৎসা বিমা
বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য
সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির
সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।
১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।বিমা ব্যবস্থার মাধ্যমে গরিব মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ নামে দিশারি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে গতকাল রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রায় এক লাখ পরিবার সেবা পাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী, মধুপুর ও ঘাটাইল উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে সরকার পরিবারপ্রতি বছরে এক হাজার টাকা প্রিমিয়াম দেবে। আর প্রতিটি পরিবার চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সুবিধা পাবে। গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের নাম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ, কার্ডধারী রোগীদের সেবা পেতে সহযোগিতা করা এবং হাসপাতালের খরচ মেটাতে সাহায্য করবে।
গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম জানান, তিনটি উপজেলায় ভূমিহীন, শুধু ভিটেবাড়ি আছে এমন এবং দিনমজুর শ্রেণির এক লাখ মানুষকে চিহ্নিত করা হয়েছে। রোগের গতিপ্রকৃতি খতিয়ে দেখে জেলা ও উপজেলায় চিকিৎসা সম্ভব এমন ৫০টি রোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ও তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁরা এই রোগগুলোর সেবা পাবেন। শুরুর দিকে সরকারি হাসপাতালে সেবা দেওয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মানসম্পন্ন বেসরকারি হাসপাতালকেও কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
দিশারি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে। পরে সরকারি বরাদ্দ ও সচ্ছল পরিবারের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে। কর্মসূচিটি তত্ত্বাবধান করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং স্বাস্থ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করবে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ সেল।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের প্রাদুর্ভাব, নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি—এসব কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ প্রতিনিয়ত আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। কর্মসূচির একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ যেন দরিদ্র হয়ে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নুরুল হক প্রমুখ।
Labels:
Other
Subscribe to:
Posts (Atom)
Copyright © 2014 Okizad Daulatpur dairy All Right Reserved




















